প্রতিধ্বনি গল্প পুরস্কার ২০২৬-এর দীর্ঘ তালিকায় ‘সীমারেখা মুছে গেলে’
প্রতিধ্বনি গল্প পুরস্কার ২০২৬-এর দীর্ঘ তালিকা প্রকাশ
গল্পের সারাংশ || সীমারেখা মুছে গেলে
‘সীমারেখা মুছে গেলো’ গল্পটি সময় ও মানব মনস্তত্ত্বের এক জটিল আখ্যান। এখানে নামহীন এক ত্রিশোর্ধ্ব চরিত্র অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের সীমানা পেরিয়ে এক পরাবাস্তব ত্রিকালদর্শী ভ্রমণের ক্ষমতা পায়। তবে এই বিক্ষিপ্ত আত্মস্মৃতি তার জীবনে আশীর্বাদ না হয়ে এক তীব্র মানসিক যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। চরিত্রের কাছে অতীত স্মৃতির দহনের চেয়েও ভবিষ্যৎ আগেভাগে জেনে যাওয়ার অমোঘ আশঙ্কা এক প্রবল দ্বন্দ্বের জন্ম দেয়। ভাইয়ের সাথে চিরবিচ্ছেদ কিংবা বন্ধুর আমৃত্যু পাশে থাকার পূর্বনির্ধারিত সত্য তাকে ভিন্ন এক মানসিক প্রস্তুতিতে বাধ্য করে। পথে দেখা হওয়া অচেনা কিশোরী একদিন তার পুত্রবধূ হবে কিংবা মোড়ে দোকানের ছেলেটা তার বিশেষ আস্থাভাজন হয়ে উঠবে জেনেও সে তীব্র ইচ্ছাসত্ত্বেও তাদের সাথে মন খুলে কথা বলতে পারে না। নিয়তির এই অখণ্ড জানাশোনা তার স্বাভাবিক মানবিক আবেগকে অবরুদ্ধ করে রাখে। গল্পটি মূলত ভবিষ্যৎ জানার অতি-প্রাকৃতিক ক্ষমতা কীভাবে মানুষের বর্তমানের স্বাভাবিক বেঁচে থাকাকে বিষাদময় করে তোলে, তাই যেন বিধৃত হয়েছে।
লেখক পরিচিতি || মির্জা আবদুল্লাহ
গল্পকার ও লেখক। জন্ম ২৬ মে ১৯৭৪ সালে, নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর শহরে। বেড়ে উঠেছেন কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলায়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি। প্রকাশিত গ্রন্থ—‘ছায়া থেকে জন্ম নেবে পৃথক শরীর’ (২০১৮)। পেশায় তিনি কলেজ শিক্ষক। বসবাস চট্টগ্রাম শহরে।



আপনার মন্তব্য প্রদান করুন