উইল বা ইচ্ছাপত্র ও অন্যান্য কবিতা
উইল বা ইচ্ছাপত্র
লিবার্টির স্ট্যাচুও দুলছে
যেমন করে বাসে বাদুড় ঝুলো তুমি
আতশবাজি আর ড্রোন অন্ধকারে আলো দিচ্ছে একই ক্ষমতার
উড়ে যাওয়া ধূমকেতু যেন—উড়ছে মিসাইল
তখন দেরি না করে কিছু চেয়ে নাও
কিছু চেয়ে নাও চোখ বুজে
ফুঁ দিয়ে মানসা ওড়াও, গন্তব্য তাক করে
যেমন করে কত কি আশা নিয়ে
নিরাশ হয়ে তবু চোখ বুজে পার করি আমরা
চোখ বুজে কত কি আশা নিয়ে পার করে দিই জীবনের রাস্তা
চেয়ে নাও কিছু, সবকিছু শেষ হওয়ার আগে
এই শেষ হলো বলে
চেয়ে নাও তুমি আজ কোনো কিছু এক শেষ ইচ্ছা
মন্ত্রী অথবা সৈনিক
কিছু হচ্ছে
কোনো কিছু একটা তো হচ্ছে
পেছনের মাঠে খেলছে সবাই
আমায় নিয়ে
হতে পারে, আমায় নিয়ে কি?
আর কিছুই দেখতে পাচ্ছি না আমি
চোখে পট্টি পরিয়ে আমায় নিয়ে আমার খেলায়
আমাকেই কারা করে রেখেছে দুধভাত
সে তো শুধু আজ নয়
আমি ছুটতে পারিনি বলে কখনোই কেউ খেলায় নেয়নি আমাকে
তবুও কি জেতা যায়
খেলায় না থেকেও যায় কি জেতা তবুও?
যখন পাল্লা দেওয়ার কিছুই গেল না পাওয়া
জেতা যায় তখনও কি জীবনে?
পট্টি পরা চোখে
আমি কি লেডি জাস্টিশিয়া থেমিস?
সত্য মিথ্যার হদিস না পেয়ে নেপে চলেছি ক্রমাগত?
স্বেচ্ছামৃত্যু
নিস্তব্ধ দুপুরের মতো এক সময়ে তুমি মৃত্যুকে বরণ কর।
নেই কোনো আন্দোলন
নেই কোনো আশু নির্বাচন
দ্বিতীয় কোনো দেশ আক্রমণ করেনি প্রথম কোনো দেশ
উলঙ্গ মৃত অনিচ্ছুক কোনো লাশ নেই ফাঁকা মাঠে
স্ক্রিনে তুমি ঝালমুড়ি বানানো হাইডেগার আইইএলটিস চর্চা করছ
কোনো তাড়া নেই, নেই কোনো দীর্ঘ যাত্রা
এমন একটি সময় তুমি বেছে নাও
মৃত্যুকে না-হয় গ্রহণ করো
যেচে
এমনই এক দুপুর বেছে নাও
তখন হেড-লাইনে নেওয়া হতেও পারে তোমাকে
শুধু তোমার নাম
মৃত্যুবরণ করেছ তুমি
কারণ পাখির কোলাহল ছাড়া কোনো কোলাহল ছিল না সেদিন আর
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন